Everything around me..

শিক্ষা মেলা

Posted by: shohag on: June 2, 2008

স্টুডেন্ট কাউন্সিলিং। এটি ছিলো আমার জীবনের প্রথম সত্যিকারের চাকরি। টাকা উপার্জন এর আগেও করেছি। কিন্তু ইন্টারভিউ দিয়ে চাকরিতে প্রবেশ এর আগে কখনো করিনি। ভার্সিটির প্রথম বর্ষের ছাত্র হিসেবে পুরো বিষয়টাই ছিলো আমার কাছে অদ্ভুত রকম অনুভূতির। শিক্ষা মেলাগুলোতেই মূলতঃ আমি কাজ করতাম। শেষ শিক্ষামেলাটা ছিলো ঢাকা-টু-চট্টগ্রাম। ঢাকার মেলাটা ভালোই ছিলো, কিন্তু ঘটনা সব ঘটেছে চট্টগ্রামে।

কখনো আশা করিনি! সত্যি বলছি! কক্ষনোই আশা করিনি। চট্টগ্রামের মতো একটা জায়গায় এত্তোটা ভিড় হবে। ছেলে কি মেয়ে, বুড়া কি ধুড়া; কোনটারই কমতি নাই। এমনকি চট্টগ্রামের মেয়র পর্যন্ত এসে জেনে গেলো কি করে ক্রেডিট ট্রান্সফার করতে হয়। ছেলেরা পারলে ওপাশের টেবিল টপকে এপাশে চলে আসে। ওমা! মেয়েরাও কম যায় না। ছেলেদের শরীরের সাথে ধাক্কা লাগলো কি লাগলো না; কোন পরোয়াই নাই। এক মেয়েতো আমার দুই কাঁধ ধরে ঝাঁকাতে লাগলো, “ভাইয়া আমাকে আগে বলেন.. আমাকে আগে বলেন…”

সবচাইতে অস্বস্তিতে আছে লিলি। সকাল বেলা জানিয়েছে তার মন খারাপ। সে বয়ফ্রন্ডকে মিস করছে। এই মূহুর্তে তাকে একগাদা ছেলেবুড়োর দল ঘিরে আছে। দেখে মনে হচ্ছে, সে তার বয়ফ্রন্ডকে নয়, তেল মাখা পাঁকা বাঁশকে মিস করছে। পারলে সে আশেপাশের সবাইকে ধরে ঠেঙানী দেয়!

যাই হোক দুপুরের দিকে ভিড় কিছুটা কমে আসলে একটু স্বস্তি যেন পেলাম। হঠাৎ হইচই শুনে ঘুরে তাকালাম। এক সাদা চামড়া (মানে কানাডিয়ান) সালমা শাড়ী পড়ে এসেছে। তাই নিয়ে সামনের স্টলের মেয়ের মাঝে আনন্দ উঠলে উঠেছে। হ্যাঁ, এত্তোক্ষনে খেয়াল হলো, সামনে সব মেয়ে কাউন্সিলর। এর পাশের স্টলেই দুই লাল চামড়ার (অস্ট্রেলিয়ান) পুরুষ লোক বসে আছে। কোন বাঙালী নেই। বিশেষ করে ঐ স্টলে তুলনামূলকভাবে অন্য স্টলগুলোর চেয়ে অনেক অনেক বেশি ভীড় ছিলো। এই দুই মাথামোটাকে দেখার জন্য, নাকি অস্ট্রেলিয়ান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি চট্টগ্রামবাসীর আগ্রহ আসলেই বেশি, তা বোঝা গেল না।
বোঝার জন্য অবশ্য আমাকে বেশিক্ষন অপেক্ষা করতে হয়নি! কিছুক্ষনের মধ্যেই ঢেউ খেলানো শরীর নিয়ে এক ইতালীয়ান মহিলা সালমার কাছে এসে বললো, “ওহ! সালমা! ইউ লুকিং সোওওও সেক্সি”! উত্তরে সালমা খুব সাধারনভাবেই ধন্যবাদ দিলেও, তার সাথের বাঙালী মেয়েদের চোখ আসমানে উঠে গেলো। অনেকে লজ্জায় মুখে হাত দিলো।
আমি মনে মনে বললাম, “কি আল্লাদ!”

ইতালীয়ান মহিলা পাশের স্টলে গিয়ে সেই দুই লাল চামড়ার সাথে বসলো। এত্তোক্ষনে সামনা সামনি দেখার সুযোগ হলো। কারো জামা এত্তো টাইট ফিট হতে পারে, তা একে না দেখলে বোঝতে পারতাম না। কাপড় পড়ার কি দরকার ছিলো? চোখ একটু ওপরের দিকে উঠতেই ওর চোখের সাথে চোখাচোখি হলো। লজ্জায় আমি লাল হয়ে গেলাম। সাথে সাথে চোখ সরিয়ে নিলাম। এরপর থেকে একরকম জোর করেই চোখ দুটোকে সরিয়ে রাখলাম, যেন ওই দিকে নজর না যায়।

সন্ধ্যায় আবারো ভিড় কমে গেলে লক্ষ্য করলাম, মহিলা কাপড় পরিবর্তন করে এসেছে। কালো রঙের টপস। সেই টপসের আবার বিশাল ছড়ানো গলা। গলার আশেপাশে ছিদ্র ছিদ্র ডিজাইনের বাহার! স্টলে একা। আমি তার দিকে তাকাতেই তার কিছু একটা মেঝেতে পড়ে গেলো। আমার দিকে একবার তাকিয়েই আমার দিকে মুখ করে জিনিসটা তোলার জন্য ঝুঁকলো। তার বড় গলা আরো নিচের দিকে ঝুলে পড়লো। এক্কেবারে তার পেট পর্যন্ত দেখতে পেলাম! হতভম্ব হয়ে আমি কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকলাম! কান দিয়ে বোধহয় ধোঁয়া বের হচ্ছে।
হবিগঞ্জের কলিগ হাবিব আমার কানের কাছে এসে দমবন্ধ করা স্বরে ফিসফিস করে বললো, “ম্যাডামের বোধহয় আপনাকে পছন্দ লইছে…। এরে আপনার খুশী করতে হইতে পারে।”
শুনে আমার গলা শুকিয়ে গেলো। নিজের সমস্ত স্বত্তা এক করে তার মতো আমিও ফিসফিস করে জিজ্ঞাসা করলাম, “কেনো?”
“গেলো বার, এক পুরুষ বিদেশীর এই রকম করে একজন মেয়েকে পছন্দ হইছিলো। বসের আদেশে তারে খুশী করতে হইছিলো।”
“মেয়েটা রাজি হয়েছিলো?” আমি অবাক হয়ে তার দিকে তাকালাম।
“কি করবো?” বিশাল এক দ্বীর্ঘশ্বাস ফেলে বললো হাবিব। “আমাগো বস খুব একটা সুবিধার না। রাজী না হইলে ক্ষ্যাতি করতো।”

সে দিন কোন মতে কাজ শেষ করে হোটেলে ফিরলাম। চট্টগ্রামের থ্রিস্টার হোটেল “গোল্ডেন” – এ উঠেছি। বস আমার চালাক লোক। হাবিব তার সম্বন্ধে যা বলেছে, তা খুব একটা বিশ্বাস আমার হচ্ছে না। কারন, সে মেয়েদের জন্য আলাদা হোটেলে থাকার জায়গা করেছে। অতিরিক্ত সাবধানতা। যাতে কোন ছেলে তাদের বিরক্ত না করে। ওখানে নাকি ম্যানেজমেন্টের সার্বক্ষনিক পাহাড়া থাকবে।

আমার রুমে দুইটা সিঙ্গেল বিছানা। জানালার কাছেরটা হাবিব দখল করে নিয়েছে। জানালার কাছে লোহা আছে। লোহা কাছে থাকলে নাকি ভূত আসে না। আমার খুব ইচ্ছে করলো একে ক্ষ্যাপাতে।
মাঝ রাতে যখন টয়লেটে গেলো, আমি বাইরে দরজার কাছে গিয়ে বললাম, “হাবিব, সাবধান। ঠিকমতো পরিষ্কার হয়ে এসো। চিটাগাইঙ্গা খুব একটা ভূত সুবিধার না। টয়লেটের ভেতর থেকে যখত তখন হাত বের করে জিজ্ঞাসা করতে পারে – সুচিয়ে দেবো?”
বেচারা খুব তড়িঘড়ি করে টয়লেট থেকে বের হয়ে এলো। মুখ শুকনো করে বললো, “এই সমস্ত বিষয় নিয়া ফাইজলামো করতে নাই!”
ভয় ভাঙাতে কিছুক্ষন পরে সিগারেট আনতে গেলো। বেশিক্ষন হলো না, দুই মিনিটের মাথায় ফিরে এলো। চোখ দুটো বড় বড়। এই বার আমার খারাপ লাগলো। এত্তো ভয় পায় জানলে দুষ্টুমি করতাম না।
“ভাই, ঐ কোনার রুমে হাঁপানির শব্দ” ঢোক গিলতে গিলতে কাঁপা কাঁপা কণ্ঠস্বরে বললো।
“অনেকের রাত্রি বেলায় ব্যায়াম করার শখ। হয়তো সেমনই কেউ একজন হবে।” হাই তোলে কথাটা বললাম।
“শব্দ খালি একজনের না, দুই জনের!”
“মানে?”
“এর মধ্যে একজন মেয়েলোক।”
যাচ্চেলে! বলে কি! মেয়েদেরতো অন্য হোটেলে পাঠানো হয়েছে। আমার বিশ্বাস হলো না।
“চলেনতো, আমিও একটু অনুধাবন করে আসি..” তার মতো করে বললাম।
“আমি যাবো না। ভয় করে..” চাষীর অবাধ্য ছাগলের মতো করে ঘাড় বাঁকা করলো।

আমি তাকে টেনে নিয়ে করিডোরে গেলাম। সে যেই রুমে শব্দ শুনেছে, সেটা করিডোরের ঐ মাথায়। দুই এক পা এগোতেই, সেই রুম থেকে কালো রঙের শাড়ী পড়া এক মেয়ে বের হলো। শাড়ীর উপর জরির কাজ। চিকচিক করে উঠলো। মেয়েটা এদিক ওদিক তাকালো। আমরা অন্ধকারে থাকায় বোধহয় টের পায়নি। সিড়ি দিয়ে নিচে নেমে যেতে গিয়ে থেমে গেলো। ব্লাউজের উপর হাত দিয়ে কিছু একটা খোঁজার চেষ্টা করছে। আবার উঠে এলো। ছেলেটাও রুম থেকে বের হয়ে এলো। হাতে ছোট্ট কাপড়ের মতো কিছু একটা। ফিতা ঝুলছে। ধারনা করলাম, মেয়েটার উপরের আন্ডার গার্মেন্টস।
আমি হাবিবের হাত ধরে টেনে আবার নিজেদের রুমে চলে এলাম। তাকে আর কিছু বললাম না। নিজের বিছানায় গিয়ে লেপ মুড়ি দিলাম। হেভি শীত পড়েছে। সক্কাল সক্কাল উঠতে হবে।
হাবিব বিছানায় কিছুক্ষন শুয়ে থেকে ঘুমানোর চেষ্টা করলো। এদিক ওদিক গড়াগড়ি করছে। হাবিব নতুন বিয়ে করেছে। বোঝলাম বেচারার ঘুম আসছে না। কিছুক্ষন পর টয়লেটে গেলো। আমি মনে মনে হাসলাম।

আজ দ্বিতীয় দিন। সকাল বেলা। শিক্ষা মেলা এখনো শুরু হয় নি। সেই ইতালিয়ান মহিলা কোত্থেকে যেন হাজির হলো। লাল রঙের টপস, ভি আকৃতির বড় গলা; নিচে মিনি স্কার্ট। কোঁকড়া চুলে বোধহয় হালকা রঙ দিয়েছে।
প্রথম দিন তাকে দেখে চমৎকৃত হলেও; আজ তাকে দেখেই গলা শুকিয়ে গেলো। সত্যি বলতে, তার শরীর দেখেই আমি সন্তুষ্ট। কিন্তু এর চেয়ে বেশি কিছু চাই না। আমার যা-ই আছে, সেটা শুদ্ধ; ভবিষ্যত বউয়ের জন্য সামলে রেখেছি; এই খাটাশের জন্য না।
মহিলা আমার কাছে এগিয়ে আসলো। “হাই! আমি ম্যালিনা।” সুরে ইতালি ভাষার টান দিয়ে ইংরেজিতে বললো।
আমি সুন্দর করে হেসে নিজের নাম জানালাম। এরপর পাঁই করে পেছন দিকে ঘুরে কাগজপত্র ঠিকঠাক করার ভান করলাম। যেন আজ ঐ কাগজপত্রই আমার জীবনের সব কিছু। কাগজ আর আমি; এই দুই বিষয় ছাড়া পৃথিবীতে আর কোন বিষয়ই থাকতে পারে না! বুক ঢিপ ঢিপ করছে।
কিন্তু মহিলা ছ্যাঁচ্চোড়, দাঁড়িয়ে আছে। আমি তার দিকে তাকিয়ে আবারো হাসলাম।
“তুমি কি আমার সাথে আজ রাতে ডিনার করবে? আমি একমদ ফ্রি! আমার দুই পার্টনারের একজনও আজ রাত্রে আমার সাথে থাকবে না।” দাঁত বের করে হাসলো। সুন্দর সাদা দাঁত।
ভদ্র ভাষায় সুন্দর আমোদের আমন্ত্রন। কিন্তু আমার মন গললো না।
“আমার গার্লফ্রেন্ড আছে।” বললাম আমি।
“এখানে?” একটু অপ্রস্তুত হলো যেন!
“না। ঢাকায়।”
“তাহলে সমস্যা কি? আজকের পর তোমার সাথে আমার কোনদিন নাও দেখা হতে পারে।”
“সরি! সম্ভব না!”
মহিলা কিছুক্ষন পাশের দেয়ালে ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে থেকে চলে গেলো। অপমানে মুখ কালো হয়ে গেছে। মায়া লাগলো চেহারা দেখে। এটা ওর দোষ না; ওর কালচারের দোষ। কিন্তু আমি যে ওর মতো না।

পরের দিন অফিসিয়াল পিকনিক। আমরা সবাই পতেঙ্গা যাবো, ওখান থেকে সোজা ঢাকা। তাই রাত্র আটটার পর মেলা থেকে ছাড়া পেয়ে অল্প সময়ের মধ্যে চট্টগ্রাম যতটা দেখা যায় দেখলাম। হাবিব বিমোহিত হলেও, আমার কাছে ঢাকা আর চট্টগ্রামের মাঝে কোন পার্থক্য নজরে আসলো না। গাড়ী দিয়ে আসার সময় পাহাড়ের এক কোনায় সেজেগুজে তিনচারটা অল্প বয়সী মেয়েদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলাম। পাহাড়ী অঞ্চল; তাই বোধহয় আশে পাশে পুলিশ নেই।
সেদিন রাত্র দুইটার দিকে হোটেলে ফিরলাম। গতকালকের সেই রুমের কাছে দিয়ে যাওয়ার সময় দুটো ছেলেমেয়ের গোঙানী যেন শুনতে পেলাম। তারপর ভারী শ্বাসপ্রশ্বাসের শব্দ। আমি কিছুই শুনিনি এমন ভঙ্গীতে হেঁটে চলে আসলাম। হাবিব বেচারা সেই দিন রাত্রে দুইবার টয়লেটে গেলো।

পতেঙ্গা! আমার মনে হলো বিশ্বের সবচাইতে শ্রেষ্ঠ ‘মরা’ সমুদ্র। না আছে কোন ঢেউ; না আছে কোন পর্যটক। সমুদ্র দেখার যে আশা নিয়ে এসেছিলাম, তার পুরোটাই মাটি! বিদেশিরা বেদিং স্যুট পরে এসেছে। কিন্তু চেহারা দেখেই বোঝা যাচ্ছে, সমুদ্রের অবস্থা তাদেরও খুব একটা পছন্দ হয়নি। ম্যালিনাকে দেখলাম। লাল রঙের বেদিং স্যুট পড়েছে। তার দুই বয়ফ্রেন্ড যেন তক্কে তক্কে আছে। সুযোগ পেলেই শরীরের এখানে ওখানে হাত দিচ্ছে। মহিলাকে দেখে মনে হলো সে এই সমস্ত উপভোগ করছে।

হঠাৎ করে চোখে পড়লো আমাদের হোটেলে রাত্রে দেখা সেই মেয়েটিকে। সাথে ছোট্ট এক বাচ্চা আর এক পুরুষ লোক। লোকটাকে আমি চিনি। ঢাকায় লোকটির সাথে আগেও দেখা হয়েছিলো। আমরা একসাথে একটি ছোট্ট প্রোজেক্টে কাজ করেছিলাম। চোখাচোখি হলে আমি লোকটির দিকে এগিয়ে গেলাম। সে পরিচয় করিয়ে দিলো সাথের মেয়েটির সাথে; তার স্ত্রী! বাচ্চাটির বয়স এক বছর! তাদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আসার সময়, লোকটি ফিস ফিস করে কানে জানালো, এখনকার দুনিয়াতে ভালো মেয়ে পাওয়া শক্ত। তাই সে মেয়েটির সাথে দুই বছরের টানা প্রেম করে বিয়ে করেছে। এমন মেয়ে নাকি পাওয়াই যায় না। সে স্বামীকে ছাড়া আর কাউকো বোঝে না।
আমি মনে মনে দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। এই মেয়ে জাতটা ভালো হলে খুবই ভালো, আবার খারাপ হলে এর মতো ইবলিশ আর দুনিয়ায় একটাও নাই।

আর কিছুক্ষন পরে গাড়ীতে উঠবো। তারপর সোজা ঢাকা। হোম, সুইট হোম। হঠাৎ করে কোত্থেকে যেন লিলি’র বয়ফ্রেন্ড এসে হাজির। দুইদিনের একাকিত্ব সে সহ্য করতে পারে নি। তাই একটা বাইক নিয়ে চলে এসেছে। ঝকমক করে উঠলো যেন লিলি’র মুখ। ছেলে মেয়ে দুটো যেন হাজার হাজার বছর পর একজন আরেকজনের সাথে দেখা করছে। দেখে খুব ভালো লাগলো। মেয়েটা এত্তোদিন মন মরা হয়ে বসে থাকতো।

ছেলে মেয়ে দু’টোকে দেখে আর কারো কথা মনে পড়ে গেলো…
একজনকে পছন্দ করি আমি; কিন্তু…
আমার লাইফ স্টাইল যদিও বরাবরই একঘেঁয়ে। কিন্তু আমি খুশি ছিলাম! অবসর সময়ে কম্পিউটার গান শুনে, ভিডিও দেখে, গেম খেলে সময় কাটতো। কাউকে কখনো মিস করতাম না। বুকের কোনায় এখন ছোট্ট একটা কষ্ট, যেটা সার্বক্ষনিক গেঁথে থাকে, তখন সেটা ছিলো না। তখন আকাশের দিকে তাকালে মন ভরাট হয়ে যেতো, এখনকার মতো শূণ্য হতো না। আগে কোন ছেলে মেয়েকে একসাথে দেখলে শুধু ভালোই লাগতে, এখনকার মতো করে দীর্ঘশ্বাস বের হতো না।
বাস দিয়ে যাওয়ার সময় বিশাল বিশাল পাহাড়গুলোকে দেখতে থাকলাম। কিন্তু মনটা আমার মাঝে নেই!

Leave a Reply

My Social Network

Shohag Bhuiyan's Facebook profile



Contact

Email: shohagbhuiyan [@] gmail.com

skype id: shohagbhuiyan

Archives

Blog Stats

  • 1,768